প্রসঙ্গ কথা
মাসুদা সুলতানা রুমীর অতি অল্প সময়ের মধ্যে সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় স্বচ্ছন্দ ও সফল পদচারণা পাঠকদের চমকিত করেছে। সবার দৃষ্টি এখন তাঁর লেখার দিকে। তাঁর প্রবন্ধ ও কবিতাগুলোর মতো গল্পগুলোও পাঠক প্রিয়তা লাভ করেছে। তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ স্বপ্নের বাড়ি, হিরামন পাখি এবং উপন্যাস সুনামি-এর প্রশংসা পাঠকদের মুখে মুখে। 'ভাই কথা কও' গল্প গ্রন্থটিও তেমনি একটি।
রুমীর ভাষায় রয়েছে নিজস্ব সহজিয়া স্টাইল কোমল মেজাজ অথচ অন্তরভেদি যা পাঠ মাত্রই পাঠকদের দারুণভাবে আকর্ষণ করে এবং মনপ্রাণ আলোড়িত করে। পান্ডিত্য নয়, গূঢ় রহস্য নয়, জটিলতার জটাজাল নয় এবং নতুন কোনো তত্ত্ব কথা নয়। তাঁর হাতে যে কোনো সাধারণ বিষয়ের উপস্থাপনা হৃদয় ছুঁয়ে যায় মায়ের আদর ও ভালোবাসার মতো। বিচিত্র চরিত্রের মানুষ ও সমাজকে দেখার জন্য রয়েছে তাঁর আরেকটি চোখ, যাকে বলে তৃতীয় নয়ন এবং অনুভব করার মতো সহানুভূতিশীল পৃথক একটি হৃদয়। যা ব্যতীত লেখকগণ পাঠক হৃদয় স্পর্শ করতে পারেন না।
রুমী শুধু গল্প লেখার জন্য গল্প লিখেন না। সমাজের অসংখ্য অন্যায়, অনাচার, অসংগতি, দূর্নীতি, সন্ত্রাস, অন্ধবিশ্বাস, কুসংস্কার ও চিন্তার সীমাবদ্ধতা রয়েছে যা উন্নতি ও অগ্রগতির পথের বাঁধা। তিনি গল্পের নায়ক নায়িকাদের মাধ্যমে তা তুলে ধরেছেন এবং সমাধানের পথও অতি সহজে দেখিয়েছেন। মাসুদা সুলতানা রুমী সমাজ সংস্কারকারী ও মানব কল্যাণকামী লেখিকা। গ্রন্থের ওয়াজ মাহফিল, বার্ড ফু, ভালোবাসা ও বিশ্বাস, বিচার, জোঁক, ফুলের তোড়া গল্পগুলো তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। 'ভাই কথা কও' রূপকথার কাহিনী অবলম্বনে রচিত সুখপাঠ্য একটি গল্প। তাইয়ীব ইবনে মোহাম্মদ কাজল এর 'কখনো মেঘ কখনো রোদ' চমৎকার পৃথক আরেকটি গল্প সংযোজিত হয়েছে। নতুন হাতের লেখা। চেষ্টা করলে ভালো লিখতে পারবেন তিনি।
ফুলের বাগান সৌন্দর্য ও কল্যাণের প্রতীক। যে বাগানের সৌন্দর্য ও কল্যাণ নেই সে বাগানের কী প্রয়োজন? ফুলের বাগানের মতো সাহিত্যও মানব কল্যাণের জন্য। যে সাহিত্যে কল্যাণ ও সৌন্দর্য নেই সে সাহিত্য সমাজে শুধু আবর্জনা।
বাংলা ছোটগল্প বিশ্ব পাঠক মহলে প্রশংসিত ও নন্দিত। মাসুদা সুলতানা রুমীর মতো প্রতিভাবান ও উৎসাহি লেখক আরো এগিয়ে এলে সমাজ ও মানব জীবনের আরো অসংখ্য অনুক্ত ও অনুল্লেখিত দিক ওঠে আসবে এবং আমাদের ছোটগল্প হবে আরো সমৃদ্ধশালী। 'ভাই কথা কও' গল্প গ্রন্থ আগের গ্রন্থগুলোর মতোই পাঠক নন্দিত হবে আশা করা যায়।
আবদুল হালিম খাঁ
মাসুদা সুলতানা রুমীর অতি অল্প সময়ের মধ্যে সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় স্বচ্ছন্দ ও সফল পদচারণা পাঠকদের চমকিত করেছে। সবার দৃষ্টি এখন তাঁর লেখার দিকে। তাঁর প্রবন্ধ ও কবিতাগুলোর মতো গল্পগুলোও পাঠক প্রিয়তা লাভ করেছে। তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ স্বপ্নের বাড়ি, হিরামন পাখি এবং উপন্যাস সুনামি-এর প্রশংসা পাঠকদের মুখে মুখে। 'ভাই কথা কও' গল্প গ্রন্থটিও তেমনি একটি।
রুমীর ভাষায় রয়েছে নিজস্ব সহজিয়া স্টাইল কোমল মেজাজ অথচ অন্তরভেদি যা পাঠ মাত্রই পাঠকদের দারুণভাবে আকর্ষণ করে এবং মনপ্রাণ আলোড়িত করে। পান্ডিত্য নয়, গূঢ় রহস্য নয়, জটিলতার জটাজাল নয় এবং নতুন কোনো তত্ত্ব কথা নয়। তাঁর হাতে যে কোনো সাধারণ বিষয়ের উপস্থাপনা হৃদয় ছুঁয়ে যায় মায়ের আদর ও ভালোবাসার মতো। বিচিত্র চরিত্রের মানুষ ও সমাজকে দেখার জন্য রয়েছে তাঁর আরেকটি চোখ, যাকে বলে তৃতীয় নয়ন এবং অনুভব করার মতো সহানুভূতিশীল পৃথক একটি হৃদয়। যা ব্যতীত লেখকগণ পাঠক হৃদয় স্পর্শ করতে পারেন না।
রুমী শুধু গল্প লেখার জন্য গল্প লিখেন না। সমাজের অসংখ্য অন্যায়, অনাচার, অসংগতি, দূর্নীতি, সন্ত্রাস, অন্ধবিশ্বাস, কুসংস্কার ও চিন্তার সীমাবদ্ধতা রয়েছে যা উন্নতি ও অগ্রগতির পথের বাঁধা। তিনি গল্পের নায়ক নায়িকাদের মাধ্যমে তা তুলে ধরেছেন এবং সমাধানের পথও অতি সহজে দেখিয়েছেন। মাসুদা সুলতানা রুমী সমাজ সংস্কারকারী ও মানব কল্যাণকামী লেখিকা। গ্রন্থের ওয়াজ মাহফিল, বার্ড ফু, ভালোবাসা ও বিশ্বাস, বিচার, জোঁক, ফুলের তোড়া গল্পগুলো তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। 'ভাই কথা কও' রূপকথার কাহিনী অবলম্বনে রচিত সুখপাঠ্য একটি গল্প। তাইয়ীব ইবনে মোহাম্মদ কাজল এর 'কখনো মেঘ কখনো রোদ' চমৎকার পৃথক আরেকটি গল্প সংযোজিত হয়েছে। নতুন হাতের লেখা। চেষ্টা করলে ভালো লিখতে পারবেন তিনি।
ফুলের বাগান সৌন্দর্য ও কল্যাণের প্রতীক। যে বাগানের সৌন্দর্য ও কল্যাণ নেই সে বাগানের কী প্রয়োজন? ফুলের বাগানের মতো সাহিত্যও মানব কল্যাণের জন্য। যে সাহিত্যে কল্যাণ ও সৌন্দর্য নেই সে সাহিত্য সমাজে শুধু আবর্জনা।
বাংলা ছোটগল্প বিশ্ব পাঠক মহলে প্রশংসিত ও নন্দিত। মাসুদা সুলতানা রুমীর মতো প্রতিভাবান ও উৎসাহি লেখক আরো এগিয়ে এলে সমাজ ও মানব জীবনের আরো অসংখ্য অনুক্ত ও অনুল্লেখিত দিক ওঠে আসবে এবং আমাদের ছোটগল্প হবে আরো সমৃদ্ধশালী। 'ভাই কথা কও' গল্প গ্রন্থ আগের গ্রন্থগুলোর মতোই পাঠক নন্দিত হবে আশা করা যায়।
আবদুল হালিম খাঁ
