রোদ জোসনায়


রোদ জোসনা প্রসঙ্গে

কবিতা কবির নিজস্ব ভাষায় একান্তই তার প্রাণের কথা। আপন ভুবনে দেখা ও অনুভব করা তার ভালো লাগা মন্দলাগা বিষয়গুলো কবিতায় তুলে ধরেন। নিজের অনুভূতিকে কাব্যরসে সিক্ত করে সকলের করে সকলের কাছে পৌঁছে দেয়াই কবির কাজ। কবি মাসুদা সুলতানা রুমী বিশ্বস্ততার সঙ্গে সে দায়িত্ব পালন করেছেন 'রোদ জোসনায়' কাব্যে।

ইতোপূর্বে প্রকাশিত তাঁর সোনালী ডানা, আমার পৃথিবী খুব সুন্দর, আমার অহংকার কাব্যগ্রন্থগুলোতে সবার প্রাণের ঐকতান ধ্বনিত হয়েছে। কবির রয়েছে নিজস্ব একটা কণ্ঠস্বর।

ত্রিশোত্তর থেকে যারা আধুনিক কাব্যচর্চা শুরু করেছেন এবং এখনো করছেন তাদের দু'একজন বাদে প্রায় সবাই পশ্চিমবঙ্গের নাস্তিক ও সমাজবাদী এবং ইংরেজী সাহিত্যের কবিদের অনুসরণ করেছেন। তাদের কবিতায় মুসলিম সংস্কৃতি আদর্শ ঐতিহ্য-ইতিহাস ও বিশ্বাস প্রতিফলিত হয়নি। তাদের কবিতা প্রতিফলিত হয়েছে তাদের মুরুব্বীদের সংস্কৃতি। তারা কাব্যের মান মূল্যায়ন করেন পশ্চিমাদের মানদ- দিয়ে।
ঐ হেনো বৈরীপরিবেশে রুমীর কাব্যচর্চা শুরু। একজন বিশ্বাসী কবির কবিতা তো অন্যদের মতো হতে পারে না। তাঁর কাব্যে রয়েছে নিজস্ব আদর্শ ঐতিহ্য ও বিশ্বাসের কথা। তাঁর কাব্যের মূল্যায়ন করতে হবে একজন বিশ্বাসীর মস্তিষ্ক দিয়ে। এদিক থেকে কবি মাসুদা সুলতানা রুমীকে একজন সফল কবি বলা যায়।
- কবি আবদুল হালীম খাঁ